|
পিসিতে লগিন করার জন্য ২ ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়।
বিস্তারিত... ১. GUI (Graphical User Interface) ২. CUI (Character User Interface) পিসি বুট হওয়ার পরে সয়ংক্রিয়ভাবে কোন ইন্টারফেস লোড হবে তা নির্ভর করে /etc/inittab ফাইলে runlevel কি সেট করা আছে তার উপর। /etc/inittab ফাইলটি ওপেন করলে একটা লাইন খুঁজে পাবেন যেখানে লেখা আছে id:5:initdefault এই ধরনের কিছু। এই লাইনে 5 দিয়ে বুঝানো হচ্ছে বাই-ডিফল্ট ফুল মাল্টি ইউজার মোডে GUI লোড হবে। 5 এর পরিবর্তে 3 থাকলে ফুল মাল্টি ইউজার মোডে CUI লোড হবে। CUI থেকে GUI এ যেতে চাইলে startx লিখে এন্টার দিতে হবে। IP Route:
বিস্তারিত... আমরা প্রত্যেকটা ইন্টারফেসের জন্য static route সেট করতে পারব। যেমন:- eth0 এর জন্য স্ট্যাটিক রাউট সেট করতে চাইলে /etc/sysconfig/network-scripts/route-eth0 ফাইলে কাজ করতে হবে। syntax হবে IP_Address/CIDR via Gateway_Address উদাহারন:- 192.168.1.0/24 via 192.168.100.254 ইন্টারফেস, সাব-ইন্টারফেস ইত্যাদি কনফিগার করার জন্য কমান্ডের পরিবর্তে সরাসরি নির্দিষ্ট ফাইল এডিট করা যায়। এই সংক্রান্ত ফাইলগুলো থাকে /etc/sysconfig/network-scripts ডিরেক্টরিতে। eth0 এর কনফিগারেশন থাকে ifcfg-eth0 ফাইলটিতে। আপনার পিসিতে যদি দুইটি NIC থাকে তাহলে ifcfg-eth1 ফাইলে ২য় NIC টির কনফিগারেশন থাকবে। ফাইলগুলো এডিট করার পর service network restart কমান্ডটি দিতে হবে নতুন সেটিংস এপ্লাই করার জন্য। ifcfg-eth0 ফাইলটিতে সাধারনত নিচের তথ্যগুলি থাকে।
বিস্তারিত... Network Interface Card এর কনফিগারেশন খুবই গুরুত্বপূর্ন একটা অধ্যায়। এই বিষয়ে পরিপূর্ন ধারনা থাকাটা প্রত্যেক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেটরের জন্য আবশ্যক। লিনাক্সে NIC কে সাধারনত eth0, eth1 নামে দেখা যায়। একটা NIC থাকলে সেটা বাইডিফল্ট eth0 হয়।
বিস্তারিত... NIC এর বর্তমান সেটিংস দেখার জন্য ifconfig কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়। কমান্ডটি এক্সিকিউট করলে আপনার পিসিতে কি কি নেটওয়ার্ক কার্ড আছে এবং তাদের সেটিংসসমূহ দেখতে পাবেন। এছাড়া নির্দিষ্ট কোন কার্ড এর ইনফরমেশন জানতে চাইলে তা ও সম্ভব। ধরি, eth0 এর ইনফরমেশন দেখব সেক্ষেত্রে কমান্ড হবে- ifconfig eth0 ifconfig কমান্ড ব্যবহার করে সাময়িকভাবে IP Address ও পরিবর্তন করা যায়। তবে তা পিসি রিবুট করার পর পুর্বের সেটিংস এ ফিরে যাবে। যেমন:- ifconfig eth0 192.168.100.1 255.255.255.0 Group কি?
বিস্তারিত... Group হচ্ছে একাধিক User কে একই রকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পদ্ধতি। একটা নির্দিষ্ট Group কে যে ধরনের পারমিশন দেওয়া হবে ঐ Group এর অন্তর্গত সকল User এর উপর একই রকম পারমিশন সয়ংক্রিয়ভাবে বসে যাবে। ধরা যাক, example.txt ফাইলের উপর কিছু User এর একই রকম এক্সেস পারমিশন দিতে হবে। যা করতে হবে- user1 এবং user2 নামে দুটো user তৈরী করুন useradd user1 useradd user2 গত পোস্টে বলেছিলাম ফাইল পারমিশনের অন্য একটি পদ্ধতি আলোচনা করব। এই পদ্ধতিকে Absolute Mode বলা হয়। এই পদ্ধতিতে RWX এর পরিবর্তে সংখ্যা দিয়ে পারমিশন দেওয়া হয়। যেমন:-
বিস্তারিত... Read পারমিশনের মান 4 Write পারমিশনের মান 2 Execute পারমিশনের মান 1 Read+Write+Execute এর মান 4+2+1=7 Read+Write এর মান 4+2=6 Read+Execute এর মান 4+1=5 Write+Execute এর মান 2+1=3 ফাইল এক্সেস পারমিশন তিনটা গ্রুপে বিভক্ত। এই তিন গ্রুপের এক জনকে অথবা একাধিক জনকে অথবা সকলকে ফাইল এক্সেস পারমিশন দেয়া যায়।
বিস্তারিত... ১. Owner(User) সংক্ষেপে u ২. Group সংক্ষেপে g ৩. Other users সংক্ষেপে o সব ইউজারকে একত্রে (u+g+o) সংক্ষেপে a ফাইল এক্সেস পারমিশন ও তিন ধরনের হয়। নিচের তালিকাতে তা দেখানো হল। লিনাক্সে অনেক রকম এডিটর আছে। VI Editor এর মধ্যে অন্যতম। নিচে কিছু VI Editor এর কমান্ড দেওয়া হল।
বিস্তারিত... vi new_file বর্তমান লোকেশনে new_file নামে ফাইল তৈরী করে vi /etc/named.conf দিয়ে /etc এর অধীনে named.conf ফাইলটি ওপেন হবে। VI Editor রান হওয়ার পর নিচের কমান্ডগুলো কাজ করবে। root হিসেবে লগিন করুন। নিজের তৈরী ফাইল ছাড়া অন্য কোন ফাইল না জেনে ডিলিট করবেন না। pwd দিয়ে বর্তমান ডিরেক্টরির ফুল পাথনেম দেখা যাবে। cd হল বর্তমান ডিরেক্টরি থেকে নির্দিষ্ট ডিরেক্টরিতে যাওয়ার কমান্ড। mkdir নতুন ডিরেক্টরি তৈরী করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
|
|
|



